Delta Tourism Bangladesh in Dhanmondi, Dhaka

Ultimate destination into nature

We introduce the tourists to the Almighty Allah's amazing creations in Bangladesh and in the world and make the way easy for them...

মেঘের রাজ্য মেঘালয় প্রদেশ ভ্রমণ
(শিলং, চেরাপুঞ্জি, সোনংপেডেং, মাউলিনং)
৪ দিন, ৩ রাত
১৭-২০ অক্টোবর, ২০১৮
#মেঘালয় ভ্রমণ করুন Delta Tourism Bangladesh এর সঙ্গে আর এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রাম মাউলিনং এ আদিবাসী খাসিদের আতিথিয়তা গ্রহন করুন। মেঘে ঢাকা মাউলিনং এ মায়াবী এক রাত কাটানোর সুযোগ করে দিচ্ছি কেবল আমরাই। আমাদের ট্যুর প্ল্যান গতানুগতিকতার বাইরে। প্রয়োজনে অন্যান্য ট্যুর অপারেটরের শিডিউল মিলিয়ে দেখুন।

ঢাকা থেকে ভ্রমণ শুরুঃ ১৬ অক্টোবর রাতে ইনশা আল্লাহ।
ঢাকায় ফেরাঃ ২০ অক্টোবর রাতে ইনশা আল্লাহ।

শুক্রবার বর্ডারে ইমিগ্রেশনের বিড়ম্বনা থাকে মারাত্বক। যারা ঝামেলা স্কিপ করতে চান, তাদের জন্য আমাদের প্ল্যান যুগোপযোগী।

||| জনপ্রতিঃ ১৩, ৫০০/- টাকা |||
||| শিশু (৩-৭ বছর বাবা-মার সঙ্গে বেড শেয়ার): ১০,০০০/- টাকা |||

Last date of booking: 8 October, 2018

----যোগাযোগ করুনঃ-------
#প্যাকেজের_জন্য:
সাকিব> 01712624393

#ভিসা_প্রসেসিং
সাফা> 01673 092080

#পোর্ট_পরিবর্তন
01611 585898

Booking Methodology:
বুকিং মানি: ৫ হাজার টাকা।
→বাকি টাকা ভ্রমণ শুরুর ৫ কর্মদিবস আগে পরিশোধ করতে হবে।
→ যাদের ভিসা নাই, ডাউকি পোর্ট দিয়ে ভিসা করার পর সম্পূর্ণ টাকা পে করবেন।

Step-1
আমাদের অফিসে এসে বুকিং দেয়া যাবে।

Step-2
হাতে সময় না থাকলে কিংবা আপনার অবস্থান দূরে হলে নো প্রবলেম, বিকাশ করুন।
Bkash personal: 01843 44 44 67

Step-3
Rocket: 01611 58 58 98 5

Step-4
Account name: Mohammad Bodruzzaman
171.151.110043
Dutch-Bangla Bank Limited
Satmosjid Road Branch,
Dhanmondi, Dhaka-1209.

________________________________
আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মেঘালয়ের খ্যাতি কম-বেশি সবারই জানা। পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিপাত প্রবণ অঞ্চল বলে পরিচিত চেরাপুঞ্জি যা রাজধানী শিলং থেকে ৫৫ কি. মি. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাংলাদেশের সীমানা কাছাকাছি অবস্থিত। যদিও চেরাপুঞ্জির চেয়ে এখন মাউসিনরামে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়। এই মেঘালয়ের জলে প্রতি বছর সিলেট ও সুনামগঞ্জের হাওড়-বাওড় প্লাবিত হয় বর্ষাকাল আসার আগেই। আমরা বর্ষাকালে সিলেটের গোয়াইনঘাটে যে বিছানাকান্দি দেখতে যাই, এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রাম মাউলিনং সেখান থেকে খুব বেশি দূরে নয়।

প্রথম দিন> ভ্রমণ স্পট
ডাউকি
সোনেংপেডেং
বুরহিল ফলস
মাউলিনং [এশিয়ার সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রাম]
লিভিং রূট ব্রিজ
বাংলাদেশ ভিউ পয়েন্ট

দ্বিতীয় দিন> ভ্রমণ স্পট
মাউকাডক ভিউ পয়েন্ট
ওয়াকাবা ফলস
সেভেন সিস্টার ফলস
মাউসামি কেইভ
নুকায়কালি ফলস
ইকো পার্ক
এলিফ্যান্ট ফলস

তৃতীয় দিন> ভ্রমণ স্পট
ডন ভস্কো মিউজিয়াম
লেডি হায়দারি পার্ক
ওয়াডস লেক
শিলং পিক

ভ্রমণসূচীঃ
ঢাকা থেকে রাতের বাসে সিলেট যাত্রা।

দিনলিপি ---------১
সকালে সিলেটে পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করব। তারপর মাইক্রো বাস হায়েসে চেপে তামাবিল বর্ডার। উভয় দেশের কাস্টমস ফরমালিটি শেষে টাটা সুমো জিপ বা ট্যাক্সিতে চড়ে শুরু হবে মেঘালয় ভ্রমণ। আমাদের প্রথম দিনের গন্তব্য এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রাম মাউলিনং। তবে সবার আগে যাব সোনেংপেডেং। উমগট নদীর টলটলে পানিতে বোটিং ও কায়াকিং করা যাবে অনায়েসে। বুরহিল ফলস ঘুরে বিকেলের মধ্যে মাউলিনং এ পৌঁছে আদিবাসী খাসিদের হোমস্টেতে উঠব। এখানে লিভং রূট ব্রিজ, বাংলাদেশ ভিউ পয়েন্ট দেখে দারুণ একটা রাত কাটাব ঐতিহাসিক এ গ্রামে।
@রাত যাপন: খাসি হোমস্টে।

দিনলিপি ----------২
সকালে উঠে জিপে চেপে যাব পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিপাতের এলাকা চেরাপুঞ্জি। সেখানে গিয়ে বিখ্যাত সেভেন সিস্টার ফলস, মাউসামি গুহা, নুকায়কালি ফলস দেখব। এছাড়া এখনকার সুউচ্চ পাহাড় থেকে বাংলাদেশও দেখা যায়। তার আগেই চেরাপুঞ্জি যাওয়ার পথে মাউকাডক ভিউ পয়েন্ট ও ওয়াকাবা ফলস দেখে ফেলব। আর শিলং আসার পথে দেখব এলিফ্যান্ট ফলস।
@রাত যাপন: শিলং শহরের পুলিশ বাজারে।

দিনলিপি---------- ৩
সকালে নাস্তা খেয়ে শিলং শহরের আশেপাশের স্পট দেখার জন্য বেরিয়ে পড়ব। শিলং পিক, লেডি হাইদারি পার্ক, ওয়াডস লেক ইত্যাদি দেখব দুপুর পর্যন্ত। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ফ্রি মুভমেন্ট... যে যার মতো ঘোরাফেরা, শপিং ইত্যাদি।
@রাত যাপন: শিলং শহরের পুলিশ বাজার।

দিনলিপি-----------৪
সকালের নাস্তা সেরে ডাউকির পথে যাত্রা। অর্থাৎ দেশে ফেরার যাত্রা শুরু হয়ে যাবে এদিন। ডাউকি-তামাবিল বর্ডার ফরমালিটি শেষ করে বেলা ২/৩ টার মধ্যে চলে আসব সিলটে। এরপর দুপুরের খাবার খেয়ে সিলেট থেকে বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করব। রাত দশটার মধ্যে ঢাকায় পৌঁছব ইনশা আল্লাহ।

Transportation
---------------------
ঢাকা-সিলেট-ঢাকা> গ্রিনলাইন বিজনেস ক্লাশ।
সিলেট-তামাবিল-সিলেট> মাইক্রোবাস হায়েস।
মেঘালয় সাইটসিং ও ইন্টার স্পট কমিউনিকেশন> ট্যাক্সি/টাটা সুমো জিপ।

Accommodation
-----------------------
মাউলিনং> খাসি হোমস্টে।
শিলং পুলিশ বাজার> স্টান্ডার্ড হোটেল।

যা যা থাকছে প্যাকেজে:
ঢাকা থেকে সিলেট এবং ফেরার দিন সিলেট থেকে ঢাকা এসি বাস বিজনেস ক্লাশের টিকিট।
সিলেট-তামাবিল বর্ডার আপ-ডাউন মাইক্রোবাস হায়েস ভাড়া।
ডাউকি-সোনেংপেডেং-মাউলিনং সুমো টাটা জিপ/ট্যাক্সি ভাড়া।
চেরাপুঞ্জি ও শিলং সাইটসিং এর জন্য জিপ/ট্যাক্সি ভাড়া।
শিলং শহরে ২ রাত স্টান্ডার্ড হোটেল এবং মাউলিনং এ ১ রাত হোমস্টে ভাড়া (শেয়ার বেসিস)।
শিলং-ডাউকি জিপ/ট্যাক্সি ভাড়া।
বাংলাদেশ ভূখন্ডে খাবার।
গাইড সার্ভিস।

=============
খাবার-দাবারঃ
★ বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের রান্না-বান্নায় তফাৎ আছে। তাই সেখানকার খাবারের সঙ্গে মানিয়ে নেবার ব্যাপারে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। সেজন্য আমরা খাবারটা প্যাকেজের মধ্যে রাখিনি। আমাদের গাইড আপনাদের ভালো হোটেল/রেস্তোরার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবেন। যার রুচিতে যেটা ভালো লাগবে খেয়ে নিবেন। এতে করে খাবারের অপচয় রোধ করা যাবে এবং খরচও বেঁচে যাবে।

যা থাকবে না প্যাকেজেঃ
ভিসা ফি ১২০০ টাকা। [ ভিসা প্রক্রিয়ার কাজ আমরা করে দেব]।
ট্রাভেল ট্যাক্স ৫০০ টাকা। [ ঢাকায় ব্যাংকে নিজ নিজ জমা দিতে হবে]।
দুদেশের বর্ডারে টিপস।
ট্যুর স্পটে প্রবেশ ফি ও ক্যামেরা চার্জ।
সোনেংপেডং এ কায়াকিং খরচ/নৌকা ভাড়া।
ঢাকা-সিলেট রাতে ট্রেন/বাসে যাতায়াতের সময় যে কোনো খাবার।
প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা অন্য যে কোনো অনাকাঙ্খিত কারণে ভ্রমণের মেয়াদ বাড়লে তার ব্যয়ভার।
কেনাকাটা ও ব্যক্তিগত খরচ।
লন্ড্রি, টেলিফোন কল, মেডিক্যাল সার্ভিসসহ প্যাকেজের খরচ আইটেমে যা উল্লেখ করা হয়নি।

ভিসার প্রক্রিয়ার জন্য যেসব ডকুমেন্ট লাগবেঃ
১] ন্যূনতম ছয় মাসের মেয়াদসহ পাসপোর্ট।
২] পাসপোর্টের ১ও ২নং পৃষ্ঠার ফটোকপি। (পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই তা সঙ্গে জমা দিতে হবে।)
৩] সর্বশেষ ভারত ভ্রমণকৃত ভিসার ফটোকপি।
৪] ২ কপি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ২ ইঞ্চি বাই ২ ইঞ্চি সাইজের ছবি। [ল্যাব প্রিন্টেট হতে হবে]
৫] তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট। ব্যালেন্স থাকতে হবে কমপক্ষে ২০,০০০/= টাকা। ব্যাংক হিসাব না থাকলে ২০০ ডলার এন্ডোর্সমেন্ট করতে হবে।
৬] বর্তমান ঠিকানা নিশ্চিতকরণের জন্য বিদ্যুৎ/পানি/ টেলিফোন বিলের মূল ও একসেট ফটোকপি।
৭] ন্যাশনাল আইডি কার্ড অথবা ১৮ বছরের কম হলে জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি।
৮] হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি। লিমিটেড কোম্পানি হলে আর্টিকেল অব মেমোরেন্ডামের ফটোকপি। ব্লাঙ্ক বিজনেস প্যাড। (ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
৯] NOC বা নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের মূল কপি (চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
১০] ভিজিটিং কার্ড।
১১] স্টুডেন্ট আইডি কার্ড (ছাত্রদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
১২] অবসর গ্রহনের কাগজপত্রের ফটোকপি (অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।

ভিসার জন্য যা করবেনঃ
১/ অন লাইন ফরম পূরণ করার পর তা প্রিন্ট করে ভিসার জন্য জমা দিতে হবে।
২/ আপনার ক্ষেত্রে উপরোল্লিখিত যে ডকুমেন্ট/কাগজপত্র প্রযোজ্য তা আবেদন পত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করবেন।
৩/ ভারতীয় ভিসার জন্য নিজেকেই হাই কমিশন অফিসে গিয়ে আবেদন পত্র জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্র এজেন্সি বা দালাল ধরার কোনো প্রয়োজন নাই।
৪/ ভিসা অফিসে আবেদনপত্র জমা দেবার দিন সঙ্গে কোনো ব্যাগ নিয়ে যাবেন না। কারণ, ব্যাগ নিয়ে কাউকে ঢুকতে দেয় না। ডকুমেন্টগুলো একটা ফাইলে করে নিয়ে যান।
*** এরপরও যদি আপনার কোনো পরামর্শ লাগে, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

পোর্ট সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যঃ
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশীদের জন্য ভারতীয় ভিসায় শিথিলতা আনা হয়েছে।
★ ভিসার জন্য যে পোর্টই (এন্ট্রি-এক্সিট) সিলেক্ট করুন না কেন, আকাশ পথ, রেলপথ (গেদে-দর্শনা সীমান্ত), এবং হরিদাসপুর-বেনাপোল পোর্ট আপনার জন্য উন্মুক্ত। ধরুন, আপনি ভিসার আবেদনে সিলেট সীমান্তের ডাউকি পোর্ট সিলেক্ট করেছেন। ভিসার পর সেখান দিয়ে আপনি গেলেন শিলং ঘুরতে। সেখান থেকে গুয়াহাটি হয়ে গেলেন কোলকাতা। এখন ফেরার সময় এত পথ আর ঘোরার দরকার নাই। কোলকাতা থেকে সোজা ট্রেন কিংবা হরিদাসপুর-বেনাপোল স্থল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবেন।

ভ্রমণে বের হবার আগে সঙ্গে যা যা নিবেনঃ
ব্যাগ/লাগেজ।
পাসপোর্ট।
ট্রাভেল ট্যাক্সের কাগজ। [ডাউকি দিয়ে ভারতে ঢুকলে ঢাকায় সোনালী ব্যাংকে ট্রাভেল ট্যাক্স দিয়ে যেতে হবে]
পাসপোর্ট সাইজের কিছু ছবি ও পাসপোর্টের কয়েক সেট ফটোকপি। [মোবাইল সিম নিতে ও অন্যান্য কাজে লাগবে]
ডলার এবং রুপি [ সীমিত পরিমান রুপি নিতে পারেন]
চাকরীজিবীদের NOC ও এক সেট ফটোকপি।
প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড়। শিলং-চেরাপুঞ্জিতে শীতকাল ছাড়াও সারা বছর ঠান্ডা আবহাওয়া থাকে। তাই শীতের পোশাক সঙ্গে নিতে ভুলবেন না।
পানিতে ভেজানে যায় এ রকম ভালো গ্রিপওয়ালা স্যান্ডেল/জুতা।
রেইন কোট/ছাতা।

Address:
-------------------------------
Delta Tourism Bangladesh
House No-18 (New), 500/A (Old)
5 th Floor
Road No-7, Dhanmondi, Dhaka-1205.

In Business Since: 2014

Products:

  • একুশের ছুটিতে আলির গুহা থেকে থানচি-নাফাখুম ঝরনা
  • ঘুরে আসি সমুদ্র কন্যা কুয়াকাটা
  • চায়ের দেশে রিল্যাক্স ট্যুর
  • নিঝুম দ্বীপ ও হাতিয়া ভ্রমণ
  • ফাল্গুনের হাওয়ায় ঘুরে আসি শিমুল ফুলের বাগান
  • সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ ও কাপ্তাইলেক পাড়ি দিয়ে রাঙ্গামাটি

Facilities

  • Attire - Casual
  • Bike Parking - Yes
  • Environment - Casual
  • Good for Groups - Yes
  • Parking - Street
  • Takes Reservations - Yes
  • Waiting Seat - Yes

Hours of Operation

Saturday

9:00 am
to
6:00 pm

Sunday

9:00 am
to
6:00 pm

Monday

9:00 am
to
6:00 pm

Tuesday

9:00 am
to
6:00 pm

Wednesday

9:00 am
to
6:00 pm

Thursday

9:00 am
to
6:00 pm

Friday

9:00 am
to
6:00 pm

Payment Method

Image of cash.png

Photo Gallary

Photo Gallery of Delta Tourism Bangladesh Photo Gallery of Delta Tourism Bangladesh Photo Gallery of Delta Tourism Bangladesh Photo Gallery of Delta Tourism Bangladesh

Map

Reviews

5.00

Total 1 Ratings

Write your review
Joy

Joy
Guest

Review on May 21, 2019

good service